পৃথিবীর শীতলতম শহরেও জার্নি করার সময় কিছু আজব পাবলিক পাবেন যারা জানালা খুলে রাখবে। ধরুন প্রচন্ড ঠান্ডায় পাশের যাত্রী টাইটানিকে ধাক্কা খাওয়া বরফের সমান হয়ে যাচ্ছেন তাতেও তিনি ভ্রুক্ষেপহীন। এমন বহু জার্নির অভিজ্ঞতা হয়েছে। এক শীতে ট্রেনের শোভন চেয়ারে যাত্রাকালে পাশে দুজন ভদ্র মহিলা আগ্নেয়গিরির আগুন নেভানোর জন্য জানালার গ্লাস খোলা রেখেছেন। আমি অনেকটা বাধ্য হয়ে বিশেষ করে ১.৫ বছরের বাচ্চার (আমার কন্যা) কথা চিন্তা করে ভদ্র মহিলাকে অনুনয় বিনয় করলে তিনি আমার প্রতি বেশ নাখোশ হলেন। হওয়ারই তো কথা। তিনিও তো টাকা দিয়েই টিকেট নিয়েছেন। আর জাতি হিসেবে এইটুকু "স্বাধীনতা" তো তার আছেই না হলে তা কিভাবে আদায় করতে হয় সেটা জানা থাকারই কথা। আরেক শীতে বাসে জার্নির সময় আমি "রক্ত শূন্যতার" অভাবে ভোগা আম জনতা ঠান্ডায় কাবু হলেও আমার সামনের সিটে বসা ভদ্রমহিলাও আগ্নেয়গিরির আগুন নেভানোর কাজে ব্যস্ত। রাতের সময় হওয়ায় বেশ ঠান্ডা লাগছিল তাই রিকুয়েষ্ট করলাম বাসের জানালা বন্ধ রাখতে। এবারও রিপ্লাই আসল ভেবাচেকা। আসারই কথা কারণ উনিও তো টাকা দিয়েই টিকেট নিয়েছেন। বিড়বিড় করে কিছু একটা বলতে লাগল শুধু এটাই ব...