Skip to main content

Posts

Showing posts from July, 2022

রিজিকের মালিক আল্লাহ

  একমাত্র বউ😀 এবং কন্যার চিন্তা মাথায় রেখেই গত পবিত্র ঈদ উল ফিতরের আগেই তাদের গ্রামের বাড়িতে রেখে আসি। এ ছাড়া, করোনা মহামারীর কারণে ৪টা ঈদ পরিবারের সাথে করতে না পারার গ্লানি কমানোর উদ্দেশ্যে বউ এবং কন্যাকে ঈদ উদযাপন শেষে ঢাকায় নিয়ে আসা হয় নাই। ঢাকায় ছাত্রাবস্থায় রান্নায় হাতে খড়ি। জামালপুর কিংবা ময়মনসিংহ এর গুটিকয়েক বুয়ার হাতের রান্না গলাধঃকরণ করার থেকে আমার হাতের রান্না হাজার গুণ ভালই। ঢাকায় একা থাকার সুবাধে তাই অফিস থেকে ফিরে রান্নাটা নিজেকেই করতে হয় যেহেতু বুয়ার রান্না সচরাচর এড়িয়েই চলি। গতকাল ভেবে চিন্তেই একটু বেশি করে রান্না করেছি (স্বাদটা চমৎকার) যেহেতু পরিবারের সাথে পবিত্র ঈদ ঊল আজহা উদযাপনের উদ্দেশ্যে আজকে গ্রামের বাড়ি যাব। গতকাল রাতে খাওয়া শেষে তরকারিটা ফ্রিজে সংরক্ষণ করেছি। সকালে অফিসে যাওয়ার আগে আবার গরম করে খেয়ে অফিসে গিয়েছি। ঈদের পূর্বে শেষ কর্মদিবস তাই ব্যস্ততাও বেশ। শাখার বেশিরভাগ সহকর্মী ঈদে টিকেট না পেয়ে নিরাপত্তার কথা চিন্তা করে দুপুরের আগে বা পরেই বের হয়ে গিয়েছেন। কতিপয় জরুরি কাজের জন্য তাই আমাকে থেকে যেতে হলো। ওদিকে দ্রুতযান এক্সপ্রেস যা রাত ৮টায় কমলাপুর স্টেশ...

একটি আকস্মিক পরীক্ষা ও তার ফলাফল!!

চাকরির সুবাধে আগের ভার্সিটি ছেড়েছি তাও প্রায় ২ বছর হয়ে গেল। তৃতীয় বর্ষের শেষ সেমিস্টারের মিডটার্মের পরপরই ক্লাশ বন্ধ করতে হয়। পড়াশুনা চালিয়ে যেতে পারলে হয়ত আজ মাস্টার্সও শেষ হয়ে যেত। সমাজ-সংসারের অনেক কিছুই যে নিজের নিয়ন্ত্রণে থাকে না। এ দিকে টিউশনিও ইদানিং অনীহা আর বাবার বড় ছেলেদের কাঁধের গন্ডারের চামড়ার চিহ্ন চাকরির খোঁজ করছিল মনে মনে। তাই ভার্সিটি ছেড়েই চাকরিতে যোগদান করেছি।  আজ ১৭ জানুয়ারি ২০১৭। অন্যদিনের মত সকালটা শুরু হলেও মনের মধ্যে একটা অন্য রকম অনুভূতি কাজ করছিল এজন্য যে আজ আবার ক্লাশে হাজির হচ্ছি তবে নতুন ভার্সিটিতে। সকালে ঘুম থেকে উঠেই অনেক ভেবে ব্লু কালার শার্টের সাথে কালো প্যান্ট পড়লাম। চশমাটা কিছুদিন আগেই ভাগ্নেটা ভেঙে ফেলেছে। কম্পিউটারে কাজ করতে হয় তাই চশমাটা ব্যবহার করতাম। খুব জরুরি ছিল না তাই আর কেনা হয়নি। যাইহোক আয়নাটা অন্য দিনের থেকে আজকে একটু বেশি সময় নিয়েই দেখলাম। ৮.১০ বাজতেই বাসা থেকে বের হলাম অফিসের গাড়ি চলে এসেছে তাই। গাড়িতে বসে ভাবছি আর অন্যমনস্ক হয়ে পড়ছি। অফিসে এদিন সময়টা ফুরাচ্ছিল না। কাজেও খুব একটা মন বসছিল না। সারাক্ষণ ভাবতে লাগলাম স্বাভাবিক সময় ফুরিয়ে ...

করোনা, কোয়ারেন্টিন ও আমাদের পরিচয়

  করোনা ভাইরাস বা কোভিড-২০১৯ বিশ্বব্যাপী মহামারী আকার ধারণ করেছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এমন একটা সময়ে এই ভাইরাসকে মহামারী ঘোষণা করেছিল যখন এই ভাইরাসের উপস্থিতি চীন ব্যতীত অন্য কোন দেশে খুবই কম ছিল। কিন্তু এটা এত সহজে আর এত দ্রুত পৃথিবীব্যাপী ছড়িয়ে পড়বে তা হয়ত কেউই অনুমান করেননি। বাংলাদেশে কোভিড-১৯ এ আক্রান্ত রোগী প্রথম শনাক্ত হওয়ার আগে এবং পরে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক প্রবাসী দেশে প্রত্যাবর্তন করেছেন। ইউরোপিয়ান, দক্ষিণ এশিয়া কিংবা আফ্রিকান দেশ গুলো থেকেও বহু প্রবাসী দেশে ফিরে এসেছেন। দেশে ফিরেই কোয়ারেন্টিনে থাকার যে বিষয়টি ছিল তা মোটেও প্রবাসী কিংবা বাংলাদেশী আপামর জনসাধারণের জন্য সুখকর ছিল না। বেশ তর্ক-বিতর্কও হয়েছে এসব বিষয়ে। এসব তর্ক বিতর্কের পিছনে বহু কারণ আছে। কোয়ারেন্টিনে থাকার জন্য যে সব জায়গা নির্ধারণ করা হয়েছিল তা অপ্রতুল, অস্বাস্থ্যকর, ভাইরাস ছড়ানোর উৎস কিংবা খাওয়া-দাওয়াসহ নানাবিধ বিষয়ে বেশ বিতর্ক হয়েছিল। এসব বির্তকের বাইরে প্রবাসীদের কিছু চিত্র ফুটে উঠেছিল যা মোটেও কাম্য ছিল না। নীচের ঘটনা দুটি এটি স্পষ্ট করবে। প্রথম চিত্র:  চীনের  উহান থেকে ৩৬০ জন (প্রায়) দেশে ফির...